প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে কারিগরি ত্রুটির ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। চার কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

জাপান সফর শেষে বৃহস্পতিবার নারিতা থেকে ঢাকায় ফেরার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় বিজি ৩৭৭ ফ্লাইটটি ছাড়ার কথা থাকলেও কারিগরি ত্রুটির কারণে তা প্রায় পাঁচ ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও অন্য যাত্রীদের বিমানবন্দরে অপেক্ষা করতে হয়।

কমিটিতে যাঁরা

শুক্রবার বিমানের পরিচালক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ) এয়ার কমোডর নিয়ামুল কবীর স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে কমিটি গঠন করা হয়। বিমানের চিফ (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিডিউলিং) কমিটির প্রধান এবং ব্যবস্থাপক (আইনবিষয়ক) সদস্যসচিব। বাকি দুই সদস্য হলেন চিফ ইঞ্জিনিয়ার (ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোডাকশন) ও ডেপুটি চিফ (ফ্লাইট সেফটি)। প্রয়োজনে কমিটি বিমানের যেকোনো কর্মকর্তাকে যুক্ত করতে পারবে।

যা খতিয়ে দেখবে কমিটি

  • নারিতা থেকে ছাড়ার আগে ত্রুটির প্রকৃত কারণ ও ধরন

  • ত্রুটি শনাক্ত ও মেরামত এবং উড়োজাহাজ ওড়ার উপযোগী কি না, তা নিশ্চিত করতে নেওয়া পদক্ষেপ

  • দেরির কারণে বাড়তি খরচ, যাত্রীদের ভোগান্তি ও বিমানের ভাবমূর্তির ওপর প্রভাব

  • কারও অবহেলা, সমন্বয়ের ঘাটতি বা নিয়ম না মানার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে কি না

  • ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে সুপারিশ

কমিটি প্রতিবেদন জমা দেবে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে।