পাতাটি খোলা হচ্ছে...
আমির হামজার বিরুদ্ধে নারীঘটিত অডিও-ভিডিও হাতে থাকার দাবি রাশেদ খাঁনের, জামায়াতের কাছে তদন্ত দাবি
কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও হাতে আসার দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। এসব অডিও-ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আমির হামজার নারীঘটিত কিছু অডিও ও ভিডিও তাঁর হাতে এসেছে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন। তাঁর দাবি, এসব তথ্য যাচাই করে তিনি সত্যতা পেয়েছেন। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) আরেকটি পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও বিষয়টি আগে থেকে জানতেন। তাঁর ভাষ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন, তবে কুষ্টিয়া-৩ আসনে যোগ্য প্রার্থী না থাকায় আমির হামজাকেই মনোনয়ন দেওয়া হয়।
রাশেদ খাঁন জানান, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর মাধ্যমে কিছু অডিও ও স্ক্রিন রেকর্ড তাঁর কাছে এসেছে। সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তিনি ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান দ্য ডিসেন্ট ও রিউমার স্ক্যানারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। দ্য ডিসেন্ট আমির হামজার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করলেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি বলে জানান তিনি। পরে অন্য একটি মাধ্যম থেকে অডিও-ভিডিওর সত্যতা পেয়েছেন বলে দাবি করলেও সেই মাধ্যমের নাম বা যাচাইয়ের পদ্ধতি তিনি জানাননি।
পোস্টে রাশেদ খাঁন জামায়াত নেতৃত্বের কাছে বিষয়টির সঠিক তদন্ত চেয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জামায়াত আমির হামজাকে দল থেকে বহিষ্কার করবে এবং সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগে বাধ্য করার উদ্যোগ নেবে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে আমির হামজা বা জামায়াতে ইসলামীর কোনো বক্তব্য এখন পর্যন্ত প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে পাওয়া যায়নি। রাশেদ খাঁনের প্রকাশ করা অডিও-ভিডিওর সত্যতা এবং সেগুলোতে শোনা কণ্ঠ আমির হামজার কি না, তা স্বাধীন সমাচার স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
দুজনের মধ্যে বিরোধ এবারই প্রথম নয়। এর আগে চলতি বছরের মে মাসে রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেছিলেন, একটি ওয়াজ মাহফিলে আমির হামজা তাঁর বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন, এতে তাঁর জীবন হুমকির মুখে পড়েছে। তখন তিনি বলেছিলেন, তাঁর কোনো ক্ষতি হলে সেই দায় বক্তব্যদাতাকেই নিতে হবে।
তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক, কালের কণ্ঠ, রাইজিংবিডি, বাংলা টিভি



