সাত দফা দাবিতে ঢাকা থেকে খুলনা হয়ে কুষ্টিয়া অভিমুখে লংমার্চ করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেট থেকে লংমার্চ শুরু হয়।

পথে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে গাড়ি থেকে বক্তব্য দেন জামায়াতের আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, "আসলে সারা দেশের কোমর ভাঙা। তাই দেশ মেরামত করতে হবে, সংস্কার করতে হবে।"

তিনি আরও বলেন, "দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের তাড়াতে হবে। দুঃশাসন থেকে মুক্তি পেতে হবে। এটি জনগণের লড়াই, মুক্তির লড়াই। আমরা সাত দফা নিয়ে রাস্তায় নেমেছি।" এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

গোপালগঞ্জ পার হলো সভা ছাড়াই

শরীয়তপুরের নাওডোবা ও গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়া মোড়ে পথসভার পর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে লংমার্চের গাড়িবহর গোপালগঞ্জ জেলা শহর পার হয়। জেলা শহরে কোনো সমাবেশ বা বক্তব্য দেওয়া হয়নি, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটেনি। মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে জোটের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে বহরকে স্বাগত জানান।

এরপর খুলনার শিববাড়ি মোড় ও ফুলতলা, যশোরের মুড়লির মোড় এবং ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে পথসভার কর্মসূচি রয়েছে। কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাবেশের মধ্য দিয়ে লংমার্চ শেষ হবে।

জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ জানান, সাত দফা দাবি আদায়ে অনড় ভূমিকা পালনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আমির।

এর আগে ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম এবং ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে লংমার্চ করেছিল জোটটি।