পাতাটি খোলা হচ্ছে...
সুজি ওয়াইলসকে সরিয়ে স্টিফেন মিলারকে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ করলেন ট্রাম্প
মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের দুই কক্ষেই রিপাবলিকানদের হারের কয়েক দিনের মাথায় হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ পদে পরিবর্তন আনলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কট্টর অভিবাসনবিরোধী হিসেবে পরিচিত স্টিফেন মিলার সোমবার থেকে দায়িত্ব নেবেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ সুজি ওয়াইলসকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় স্টিফেন মিলারকে নিয়োগ দিয়েছেন। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এ নিয়োগের ঘোষণা আসে। আগামী সোমবার থেকে ওয়াইলসের স্থলাভিষিক্ত হবেন মিলার।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প নতুন চিফ অব স্টাফ মিলারকে তাঁর "সবচেয়ে বিশ্বস্ত উপদেষ্টাদের একজন" বলে উল্লেখ করেছেন।
৪১ বছর বয়সী মিলার ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের উপদেষ্টা এবং অভিবাসন প্রশ্নে কট্টরপন্থী হিসেবে পরিচিত। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকে তিনি নীতিবিষয়ক ডেপুটি চিফ অব স্টাফের দায়িত্ব পালন করছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিপুলসংখ্যক অভিবাসী বের করে দেওয়ার অভিযানের অন্যতম রূপকার হিসেবে দেখা হয় তাঁকে। ২০২৫ সালের মে মাসে ফক্স নিউজকে তিনি বলেছিলেন, প্রতিদিন অন্তত তিন হাজার জনকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্য ঠিক করেছে প্রশাসন।
ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে মিলার ছিলেন উপদেষ্টা ও ভাষণলেখক। ২০১৭ সালে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা এবং ২০১৮ সালে সীমান্তে "জিরো টলারেন্স" নীতির পেছনে তাঁর ভূমিকা ছিল বলে মনে করা হয়। ওই নীতির কারণে বহু শিশু মা-বাবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। ব্যাপক সমালোচনার মুখে পরে নির্বাহী আদেশে নীতিটি বদলান ট্রাম্প।
হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ সাধারণত কর্মীদের তদারকি ও নিয়োগ, প্রেসিডেন্টের কর্মসূচি নির্ধারণ এবং নীতিগত বিষয়ে প্রেসিডেন্টকে পরামর্শ দেওয়ার দায়িত্ব পালন করেন।
চলতি সপ্তাহের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে ডেমোক্রেটিক পার্টি। আগামী জানুয়ারিতে নতুন কংগ্রেসের যাত্রা শুরু হলে প্রশাসনে মিলারের ভূমিকা নিয়ে তদন্ত করার সুযোগ পাবে তারা। নির্বাচনে হারের পরও মিলারকে এই পদে বসানোয় ধারণা করা হচ্ছে, নিজের কট্টর নীতি থেকে সরছেন না ট্রাম্প।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো



